শনিবার, ২৯ জুন ২০১৯:
শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: শ্রীজগদানন্দ পণ্ডিতের প্রেম
"আমাদের পতিত অবস্থার কথা চিন্তা করে শ্রীজগদানন্দ পণ্ডিত তাঁর শ্রীশ্রীপ্রেমবিবর্ত রচনা করেছিলেন । সেখানে তিনি প্রেম কাকে বলে বুঝিয়ে দিলেন । সেই প্রেম মহাপ্রভু এই জগতে আবির্ভূত হয়ে বিতরণ করতেন আর যে প্রীতি জগদানন্দ পণ্ডিতের ছিল, সেরকম প্রীতি কখনও দেখা না যায় ।"

শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: শ্রীলসনাতন গোস্বামীর সঙ্গ
"মহাপ্রভু সনাতন গোস্বামী এবং রূপ গোস্বামীকে বৃন্দাবনে থাকতে বলেছিলেন আর যেহেতু তাঁরা খুব দুঃখিত হয়ে পড়লেন যে, তাঁরা প্রভুর দর্শন কোন সময় পাবেন না, সেহেতু মহাপ্রভু তাঁদেরকে বললেন অন্ততপক্ষে রথের সময় পুরীতে আসতে । তাই তাঁরা শ্রীপুরীধামে আসতেন ।..."

 

শুক্রবার, ২৮ জুন ২০১৯:
শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: “ষাঠী বিধবা হয়ে যাক !”
"আপনারা অনেকই আপনাদের ছেলে-মেয়েকে জামাইকে ভালবাসেন—তাই না ? আপনারা অতিশয় তাঁদেরকে ভালবাসেন কিন্তু যারা সত্যিকারের ভক্ত, তারা আত্মীয়-স্বজনের চাইতে গুরুদেব, মহাপ্রভু ও ভগবানকে বেশী ভালবাসেন । এখানে তার প্রমাণটা হচ্ছে সার্বভৌম ভট্টাচার্য্য ।"

শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: শ্রীগোপাল গুরুর কথা
"মহাপ্রভু গম্ভীরায় যেখানে থাকতেন, আজ সে মন্দিরের নাম হচ্ছে শ্রীরাধাকান্ত মঠ । মহাপ্রভুর সময় সেখানে যে বিগ্রহের পূজারী সেবক ছিল, তাঁর নাম ছিল গোপাল । সার্বভৌম ভট্টাচার্যের বাড়ি কাশী মিশ্রের বাড়ির পাশে । এক দিন গোপাল দেখলেন যে, মহাপ্রভু জিহ্বায় কামড় দিয়ে বাথরুমে যাচ্ছেন ।..."

 

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯:
শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: কালিদাসের ব্যতিক্রম
"মহাপ্রভু শিক্ষা দিয়ে গেছেন যে কেউ তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করবেন না কিন্তু শুধু একমাত্র ভক্তের সম্বন্ধে তিনি বললেন, 'ওকে বারণ কর না !' কারণটা কী ?"

শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: সার্বভৌম ভট্টাচার্য্যের প্রসাদে রুচি
"সার্বভৌম ভট্টাচার্য্যের জগন্নাথদেবের মন্দিরে বড় চাকরি ছিল—তিনি সব ব্যবস্থা করতেন কিন্তু মন্দিরে প্রসাদ পেতেন না । যেহেতু তাঁর প্রসাদে ভক্তি, প্রসাদে রুচি ছিল না, সেহেতু তিনি জগন্নাথ প্রসাদ না খেয়ে বাড়িতে সব সময় খেতেন ।..."

 

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯:
শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: দর্শনের আর্ত্তি
"আপনারা অনেক পরিশ্রম করে এসেছেন পরিক্রমা করবার জন্য । শুধু মাত্র ভাগ্যের ফলে জগন্নাথ পরিক্রমায় যেতে পারি । শুধু মাত্র ভাগ্যবান জীব শ্রীপুরীধামে জগন্নাথদেবকে রথে দর্শন করতে পারেন—জগন্নাথদেবকে রথে দেখলে, আর পুনরায় জন্ম গ্রহণ করতে হবে না ।"

শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: শ্রীআলালনাথের কথা
"শ্রীপুরুষোত্তমের পাশে সমুদ্রের তীরে প্রয় ৬ ক্রোশ দূরে ব্রহ্মগিরি বা আলালনাথ নামে একটা সুপ্রাচীন দিব্য স্থান আছে । এই স্থানে ব্রহ্মা সত্যযুগে বিষ্ণুর পূজা করতেন কাজেই সেই স্থানের নামও হচ্ছে ব্রহ্মগিরি..."

 

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯:
শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: রাজা প্রতাপরুদ্রের প্রতি কৃপা
"রাজা হয়েও রাজা প্রতাপরুদ্র সব বৈষ্ণবগণকে সেবা করতেন, সমস্ত ভক্তগণের জন্য সব আয়োজন করতেন, তবু মহাপ্রভু প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে, তিনি তাঁর মুখ দর্শন করবেন না কারণ তিনি রাজা । কিন্তু রাজা হয়েও তাঁর এত বেশী আর্ত্তি ছিল । আর্ত্তি থাকলে ভগবান কৃপা করবেই ।"

শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: গোবিন্দ প্রভুর শিক্ষা
"শ্রীঈশ্বর পুরীর শিষ্য হয়ে গোবিন্দ প্রভু মহাপ্রভুর গুরুভাই ছিলেন । কিন্তু গুরুভাই হয়েও তিনি শিষ্য রূপে তাঁকে সম্মান করতেন । এক দিন গোবিন্দ ঈশ্বরপুরীর কাছে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বললেন, 'প্রভু, আপনি চলে গেলে আমি কার সেবা করব ?'"

 

সোমবার, ২৪ জুন ২০১৯:
শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: কাশী মিশ্রের কথা
"কাশী মিশ্র কে দ্বাপর যুগে ছিলেন ? কুব্জা, একটি মেয়ে যে খুঁড়িয়ে হাঁটতেন, গায়ের রং কাল, আর বৃন্দাবনে তার একটা অন্য রকম ইচ্ছা জেগে উঠল—তিনি ভাবলেন, “কৃষ্ণ তো সব জায়গায়ই যায়, সব গোপীদের কাছে থাকে । আমার কাছেও যদি একটা রাত কাটাতে পারত, তাহলে ভাল হত ।” তখন তার কী হল ?"

শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: ভক্তদের সহিত শ্রীক্ষেত্রে বার্ষিক মিলন
"যখন মহাপ্রভু নবদ্বীপ থেকে চলে গিয়েছিলেন, তিনি তখন নিত্যানন্দ প্রভুকে আদেশ দিয়েছিলেন, যে তিনি সমস্ত গৌড়মণ্ডলের ভক্তগণকে দেখাশোনা করবেন । তাঁর ইচ্ছা অনুসারে নিত্যানন্দ প্রভু সারা গৌড়মণ্ডলে ঘুরে ঘুরে প্রচার করতেন আর রথের সময় তিনি প্রতি বছর দল-বল নিয়ে শ্রীপুরীধামে হাঁটতে হাঁটতে আসতেন ।"

 

শুক্রবার, ২৩ জুন ২০১৯:
শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: সার্বভৌম ভট্টাচার্য্যের সথে মিলন
"শ্রীপুরীধামে সার্বভৌম ভট্টাচার্য্য ছিলেন জগন্নাথ মন্দিরের পরিচালক । তিনি মন্দিরের সব কিছু দেখাশোনা করতেন কিন্তু তিনি ওইসময় মায়াবাদী ভক্ত ছিলেন (মায়াবাদী মানে তিনি ব্রহ্ম-জ্ঞান মানতেন) । প্রথম তিনি বিশ্বাসও করতে পারলেন না যে, মহাপ্রভু স্বয়ং ভগবান এসেছেন ।"

শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: সার্বভৌম ভট্টাচার্য্যের শিক্ষা
"সার্বভৌম ভট্টাচার্য্যের আদেশ অনুসারে গোপীনাথ আচার্য্য মহাপ্রভুর ঘরে এসে বললেন যে, সার্বভৌম ভট্টাচার্য্য তাঁকে ডাকছেন । মুকুন্দ দত্ত সার্বভৌম ভট্টাচার্য্যের কথা শুনেছিলেন আর মহাপ্রভুকে সব বলে দিয়েছেন, কিন্তু মহাপ্রভু বললেন, 'মনে কর না, তিনি এটা আমারই মঙ্গলের জন্য বলেছেন । তাঁর কোন অপরাধ নেই ।'"

 

শুক্রবার, ২২ জুন ২০১৯:
শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: মহাপ্রভুর পুরীতে যাত্রা : ভুবনেশ্বর শ্রীলিঙ্গরাজ
"প্রাচীনকালে কাশিধামস্থ শিব দেবর্ষি নারদকে বললেন, 'আমি আর এখানে থাকব না । যথার্থ ধর্ম্মও এখানে থাকবে না—সব লোক অধর্ম্মচারী ও দুর্বুদ্ধি হয়ে পড়বে ! এই স্থানে আমি আমার তপস্যা করতে আর পারি না । কিন্তু কোথায় যাব ?'"

শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: মহাপ্রভুর পুরীতে যাত্রা : আঠারনালা
"যখন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু সন্ন্যাস গ্রহণ করেছিলেন, তখন তিনি তাঁর দণ্ড (যা তিনি সন্ন্যাস গুরুর কাছ থেকে পেয়ে গিয়েছিলেন) নিয়ে নিত্যানন্দ প্রভু মুকুন্দাদি ভক্তগণের সঙ্গে পুরীতে গিয়েছিলেন । হেঁটে হেঁটে নিত্যানন্দ প্রভু ভাবলেন, 'মহাপ্রভু আমাকে কেন বহন করবেন ?'"

 

শুক্রবার, ২১ জুন ২০১৯:
শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: মহাপ্রভুর পুরীতে যাত্রা : ভুবনেশ্বর
"এই প্রাচীন তীর্থের সম্বন্ধে একটা বিরাট বর্ণনা আছে । বহু কাল আগে পার্বতী তাঁর স্বামীর মুখে শুনেছিলেন যে, জগতে এক স্থান আছে যে কাশির কৈলাসের চাইতে রমণীয় । শুনে তাঁর সেই স্থান দর্শন করতে ইচ্ছা জেগে উঠল..."

 

বুধবার, ১২ জুন ২০১৯:
শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: গঙ্গা মাতা গোস্বামিণী
"শচীদেবী রাজকন্যা হয়ে রাজশাহীতে (বর্ত্তমান পূর্ব্বপাকিস্তানে) জন্ম গ্রহণ করেছিলেন । যখন তাঁর বয়স হয়ে গেছে, তাঁর মা-বাবা তাঁকে বিয়ে দিতে চাইলেন কিন্তু তিনি দিব্য সুন্দরী রাজকন্যা হয়েও বললেন, 'আমি শ্রীকৃষ্ণের চরণে মনটা দিয়ে দিয়েছি । আমি কোন মর্ত্ত পুরুষকে বিয়ে করব না যে আমাকে ভোগ করবে, যে আমাকে ব্যবহার করবে! আমি সে সব চাই না ।'..."

 

রবিবার, ৯ জুন ২০১৯:
মায়ার সাথে আপোষ করা যায় না (পাঠ পড়তে এ লিঙ্ক ক্লিক করুন)
"আমরা সব সময় 'শরণাগত, শরণাগত' করি কিন্তু কইজন আমরা ভগবানের কাছে শরণাগত হয়েছি ? গুরুসেবার করিবার পরিবর্তে গুরুদেবের কাছে দীক্ষা নাওয়ার নাম করে দীক্ষা নাওয়ার অভিনয় করি । গুরুর সেবার পরিবর্তে গুরু-ভোগী, গুরু-ত্যাগী হয়ে পড়ি কন্তু গুরু-সেবী হতে পারি নি । নিজের স্বার্থ, নিজের ভাল-মন্দ জীবনটা কাটিয়ে গেলাম কিন্তু আমরা কখনই জীবে যে কী করে মঙ্গল লাভ হয়, সে চিন্তা করলাম না । সব সময় ভগবানের জন্য নিজের ভোগ-সুখ পরিত্যাগ করতে হয়, মায়ার কাছে সমর্পণ করলে হবে না ।"
অডিও ডাউনলোড (4.2 Mb, 12 min | ৭ জুন ২০১৯)

 

শুক্রবার, ৩১ মে ২০১৯:
শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: মহাপ্রভুর পুরীতে যাত্রা : রেমুণা
"রেমুণায় এসে মহাপ্রভু ভক্তগণকে গোপীনাথের কথা বললেন । এই কথা তিনি তাঁর গুরুদেব শ্রীঈশ্বরপুরীর কাছ থেকে আগে শুনেছিলেন । শ্রীমাধবেন্দ্রপুরীপাদ ভক্তিকল্পতরুর অঙ্কুর হচ্ছেন..."

ভক্তের প্রতি ভগবানের প্রীতি
ওঁ বিষ্ণুপাদ শ্রী শ্রীল ভক্তি নির্ম্মল আচার্য্য মহারাজের পদ্মমুখনিঃসৃত শ্রীহরিকথামৃত: "ভক্তের হৃদয়ে সদা গোবিন্দ-বিশ্রাম, গোবিন্দ কহেন মম বৈষ্ণব পরাণ—ভগবান কী ভাবে ভক্তগণকে কৃপা করেন ?"
ডাউনলোড অডিও (5.1 Mb, 15 min | ২২ মে ২০১৯)

শ্রীতুলসীদেবীর মাহাত্ম্য সম্বন্ধ
ওঁ বিষ্ণুপাদ শ্রী শ্রীল ভক্তি নির্ম্মল আচার্য্য মহারাজের পদ্মমুখনিঃসৃত শ্রীহরিকথামৃত: "বৈষ্ণবের দীক্ষা যারা গ্রহণ নাও করেছেন, তারাও যাদি প্রত্যেক দিন তুলসী-সেবা করেন, তলসী পরিক্রমা করেন, ভগবান সন্তুষ্ট হন । তলসী সেবা করলে কৃষ্ণ-ভক্তি লাভ হবে । ছাপ্পান্ন ভোগ রান্না করলে তলসী ছাড়া হয় না, কেন হয় না ? ইতিহাস আপনাদের জানা উছিৎ । যে ব্রহ্মা-বিবর্ত পুরাণে, পদ্ম পুরাণে খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করা আছে, সেটা আমি আপনাকদেরকে সংক্ষেপে ভাবে বলব ।"
ডাউনলোড অডিও (5.1 Mb, 12 min | ২৯ মে ২০১৯)

 

শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯:
শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: রামানন্দ রায়ের পুনর্মিলন ও প্রকৃতি
"যখন মহাপ্রভু বললেন যে, তিনি দক্ষিণ দেশে ভ্রমণ করতে যাবেন, তখন সার্বভৌম ভট্টাচার্য্য তাঁকে বললেন, 'গোদাবরী তীরে তোমার মত একজন রসিক ভক্ত আছে । তাঁর নাম রামানন্দ রয় । তুমি ওখানে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ কর ।'..."

 

শুক্রবার, ১৭ মে ২০১৯:
শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: মহাপ্রভুর পুরীতে যাত্রা : শান্তিপুর
"মহাপ্রভু কালনাঘাটে পৌঁছে গেলেন—সেখানে গঙ্গায় অপর তীরে শান্তিপুর ছিল । অদ্বৈত প্রভু ওখানে নদীর মধ্যে নৌকায় বসে অপেক্ষা করছিলেন । অবাক হয়ে মহাপ্রভু জিজ্ঞেস করলেন, 'আরে, অদ্বৈত, তুমি কি করে জানলে আমি বৃন্দাবনে ? তুমি কী করছ এখানে ?'"

 

শুক্রবার, ১০ মে ২০১৯:
শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: মহাপ্রভুর ইচ্ছা ও পুরীতে যাত্রার আরম্ভ
"কাটোয়ায় সন্ন্যাস গ্রহণ করার পর মহাপ্রভু ঠিক করলেন যে, তিনি বৃন্দাবনে যাবেন । সমস্ত নবদ্বীপবাসীগণ, এমনকী যারা মহাপ্রভুকে নিন্দা করতেন, যারা মহাপ্রভুকে হিংসা করতেন, খবর পেলেন যে, মহাপ্রভু নবদ্বীপ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন তারাও সবাই চোখের জল ফেলল । সবাই তীব্রভাবে টের পেলেন যে, নবদ্বীপ একেবারে অন্ধকারময় হয়ে গেল ।"

 

শুক্রবার, ৩ মে ২০১৯:
শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা: সূচনা — শ্রীজগন্নাথদেব
"আমরা যখন শ্রীপুরীধামে শ্রীজগন্নাথদেব দর্শন করতে আসি, তখন শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর কথা চিন্তা করি এবং ভক্তসঙ্গে তাঁর ধাম, সমস্ত তীর্থস্থান যেখানে তিনি গিয়েছিলেন, সেখানে গিয়ে পরিক্রমা করি । অনেকেই জিজ্ঞেস করেন, 'জগন্নাথদেবের বিগ্রহ কি করে হল ?' তার সম্বন্ধে একটা প্রাচীন ও সুন্দর ইতিহাস আছে ।"

 

বুধবার, ২৩ জানুয়ারী ২০১৯:
কৃষ্ণভক্তি বা গুরুভক্তি ?
"ভূল সিদ্ধান্ত নিয়ে কোন সময় চলবে না । অধিকার আগে অর্জন করতে হবে । আমাদের গুরু-ভক্ত হতে হবে, গৌর-ভক্ত হতে হবে, রাধারাণীর ভক্ত হতে হবে, তারপর তো কৃষ্ণভক্ত হব । আমরা কৃষ্ণপ্রেমদান পাব তো দূরের কথা, ব্রজগোপীদের দাসী হতে পারলাম না আর আমরা বলি কৃষ্ণপ্রেমদান পাব । হবে না ।"
অডিও ডাউনলোড (24.1 Mb, 67 min | ১৮ জানুয়ারী ২০১৯ | সুন্দরপুর)

 

 

সংরক্ষণাগার : আগের আপডেট

 

 

 


শ্রীউপদেশ
শ্রীল আচার্য্য মহারাজের পাঠগুলা
ডাউনলোড
পড়তে
কিনতে

 


মূল শিক্ষা: নিয়মকানুন

      

 

শ্রীগৌড়ীয়-পর্ব্ব-তালিকা

আষাঢ় মাস—৩১ দিন
বামন মাস—২৯ দিন
জুন মাস—৩০ দিন

৯ বামন, ১০ আষাঢ়, ২৬ জুন, বুধবার, কৃষ্ণ-নবমী রাত্রি ২।৩৪ । দিবা ২।০৬ গতে অম্বুবাচী নিবৃত্তিঃ । উঃ ৪।৫৭ অঃ ৬।২৪ ।

১০ বামন, ১১ আষাঢ়, ২৭ জুন, বৃহস্পতিবার, কৃষ্ণ-দশমী রাত্রি ৩।৩৩ । উঃ ৪।৫৭ অঃ ৬।২৪ ।

১১ বামন,১২ আষাঢ়, ২৮ জুন, শুক্রবার, কৃষ্ণ-একাদশী শেষরাত্রি ৪।০৩ । অদ্য উপবাস নহে । শ্রীযুক্তা রমাদেবীর নির্য্যাণ । উঃ ৪।৫৮ অঃ ৬।২৪ ।

১২ বামন, ১৩ আষাঢ়, ২৯ জুন, শনিবার, কৃষ্ণ-দ্বাদশী রাত্রি ৪।০১ । পূর্ব্বদিনের একাদশী তিথি দশমী অরুণোদয় বিদ্ধা হওয়ায় অদ্য যোগিনী একাদশী ব্রতের উপবাস । উঃ ৪।৫৮ অঃ ৬।২৪ ।

১৩ বামন, ১৪ আষাঢ়, ৩০ জুন, রবিবার, কৃষ্ণ-ত্রয়োদশী রাত্রি ৩।২৯ । প্রাতঃ ৪।৫৮ গতে পূর্ব্বাহ্ন ৯।২৬ মধ্যে যোগিনী-একাদশীর পারণ । উঃ ৪।৫৮ অঃ ৬।২৪ ।


জুলাই মাস—৩১ দিন

১৪ বামন, ১৫ আষাঢ়, ১ জুলাই, সোমবার, কৃষ্ণ-চতুর্দ্দশী রাত্রি ২।২৯ । উঃ ৪।৫৯ অঃ ৬।২৪ ।

১৫ বামন, ১৬ আষাঢ়, ২ জুলাই, মঙ্গলবার, অমাবস্যা রাত্রি ১।০৪ । শ্রীল গদাধর পণ্ডিত গোস্বামীর ও শ্রীল সচ্চিদানন্দ ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের তিরোভাব । অমাবস্যার উপবাস । উঃ ৪।৫৯ অঃ ৬।২৪ ।

১৬ বামন, ১৭ আষাঢ়, ৩ জুলাই, বুধবার, গৌর-প্রতিপদ রাত্রি ১১।১৭ । শ্রীগুণ্ডিচা মার্জ্জন । উঃ ৫।০০ অঃ ৬।২৪ ।

১৭ বামন, ১৮ আষাঢ়, ৪ জুলাই, বৃহস্পতিবার, গৌর-দ্বিতীয়া রাত্রি ৯।১৪ । শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা । শ্রীল স্বরূপ দামোদর গোস্বামী প্রভুর তিরোভাব । উঃ ৫।০০ অঃ ৬।২৪ ।

২০ বামন, ২১ আষাঢ়, ৭ জুলাই, রবিবার, গৌর-পঞ্চমী দিবা ২।০৪ । হেরা-পঞ্চমী । শ্রীশ্রীলক্ষ্মীবিজয় । পর দিবস শ্রীপুরীধামে হেরা-পঞ্চমী ও শ্রীশ্রীলক্ষ্মীবিজয় । উঃ ৫।০১ অঃ ৬।২৩ ।

২৩ বামন, ২৪ আষাঢ়, ১০ জুলাই, বুধবার, গৌর-অষ্টমী দিবা ৭।০৪ । শ্রীপাদ অজিত কৃষ্ণ ব্রহ্মচারীর তিরোধান । উঃ ৫।০২ অঃ ৬।২৩ ।

২৪ বামন, ২৫ আষাঢ়, ১১ জুলাই, বৃহস্পতিবার, গৌর-নবমী প্রাতঃ ৫।০৯ পরে গৌর-দশমী রাত্রি ৩।৩২ । উঃ ৫।০৩ অঃ ৬।২৩ ।

২৫ বামন, ২৬ আষাঢ়, ১২ জুলাই, শুক্রবার, গৌর-একাদশী রাত্রি ২।১৯ । অদ্য উপবাস নহে । পূর্ব্বদিনের দশমী তিথি নবমী িবদ্ধা হওয়ায় অদ্য শ্রীল ভক্তিকমল মধুসূদন মহারাজের তিরোভাব ও শ্রীযুক্তা কৃষ্ণময়ী দেবীর নির্য্যাণ । উৎকলমতে শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা । শ্রীহরির শয়ন । একাদশ্যারম্ভ পক্ষে চাতুর্ম্মাস্য ব্রতারম্ভ । উঃ ৫।০৩ অঃ ৬।২৩ ।

২৬ বামন, ২৭ আষাঢ়, ১৩ জুলাই, শনিবার, গৌর-দ্বাদশী রাত্রি ১।৩১ । পূর্ব্বদিনের একাদশী তিথি দশমী অরুণোদয় িবদ্ধা হওয়ায় অদ্য শয়নৈকাদশীর ব্রতের উপবাস । দ্বাদশ্যারম্ভপক্ষে চাতুর্ম্মাস্য ব্রতারম্ভ । উঃ ৫।০৩ অঃ ৬।২৩ ।

২৭ বামন, ২৮ আষাঢ়, ১৪ জুলাই, রবিবার, গৌর-ত্রয়োদশী রাত্রি ১।১৪ । প্রাতঃ ৫।০৪ গতে পূর্ব্বাহ্ন ৯।৩০ মধ্যে শয়নৈকাদশীর পারণ । উঃ ৫।০৪ অঃ ৬।২৩ ।

২৮ বামন, ২৯ আষাঢ়, ১৫ জুলাই, সোমবার, গৌর-চতুর্দ্দশী রাত্রি ১।২৭ । উঃ ৫।০৪ অঃ ৬।২৩ ।

২৯ বামন, ৩০ আষাঢ়, ১৬ জুলাই, মঙ্গলবার, পূর্ণিমা রাত্রি ২।১১ । শ্রীগুরুপূর্ণিমা । শ্রীল সনাতন গোস্বামী প্রভুর তিরোভাব । পৌর্ণমাস্যাম্ভপক্ষে চাতুর্ম্মাস্য ব্রতারম্ভ । পূর্ণিমার উপবাস । আংশিকগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ রাত্রি ১।৩১–৪।৩০ । উঃ ৫।০৪ অঃ ৬।২৩ ।

শ্রীধর মাস—৩০ দিন

শ্রাবণ মাস—৩২ দিন

২ শ্রীধর, ১ শ্রাবণ, ১৮ জুলাই, বৃহস্পতিবার, কৃষ্ণ-দ্বিতীয়া শেষরাত্রি ৪।৫৮ । ত্রিদণ্ডিস্বামী শ্রীমদ্ভক্তিহৃদয় বন মহারাজের তিরোভাব । উঃ ৫।০৫ অঃ ৬।২২ ।

৬ শ্রীধর, ৫ শ্রাবণ, ২২ জুলাই, সোমবার, কৃষ্ণ-পঞ্চমী দিবা ১০।৫০ । শ্রীল গোপাল ভট্ট গোস্বামী প্রভুর তিরোভাব । উঃ ৫।০৬ অঃ ৬।২২ ।

৯ শ্রীধর, ৮ শ্রাবণ, ২৫ জুলাই, বৃহস্পতিবার, কৃষ্ণ-অষ্টমী দিবা ৩।০৫ । শ্রীল লোকনাথ গোস্বামী প্রভুর তিরোভাব । উঃ ৫।০৭ অঃ ৬।২১ ।

১১ শ্রীধর, ১০ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, শনিবার, কৃষ্ণ-দশমী দিবা ৩।৩৭ । উঃ ৫।০৮ অঃ ৬।২০ ।

১২ শ্রীধর, ১১ শ্রাবণ, ২৮ জুলাই, রবিবার, কৃষ্ণ-একাদশী দিবা ৩।০৮ । কামিকা একাদশী ব্রতের উপবাস । উঃ ৫।০৮ অঃ ৬।২০ ।

১৩ শ্রীধর, ১২ শ্রাবণ, ২৯ জুলাই, সোমবার, কৃষ্ণ-দ্বাদশী দিবা ২।১১ । প্রাতঃ ৫।০৯ গতে ৯।৩২ মধ্যে একাদশীর পারণ । উঃ ৫।০৯ অঃ ৬।১৯ ।

১৫ শ্রীধর, ১৪ শ্রাবণ, ৩১ জুলাই, বুধবার, কৃষ্ণ-চতুর্দ্দশী দিবা ১১।০৩ । উঃ ৫।১০ অঃ ৬।১৮ ।


 

      

 

 

বৃক্ষসম ক্ষমাগুণ করবি সাধন । প্রতিহিংসা ত্যজি আন্যে করবি পালন ॥ জীবন-নির্ব্বাহে আনে উদ্বেগ না দিবে । পর-উপকারে নিজ-সুখ পাসরিবে ॥