![]() |
|||||||
| |||||||
|
|||||||
|
শ্রীউপদেশ (৯) শান্তির গুপ্ত কথা
শ্রবণ মানে শ্রেয়-যোগ-বন : যেটা শুনলে আপনাদের মঙ্গল হবে, সেটা শ্রেয়—প্রেয় নয় । প্রেয় আর শ্রেয় জগতে দুই প্রকর কথা আছে, প্রেয় মানে আপনাদের মনের কথা, কিন্তু শ্রেয়টা আপনাদের মনের কথা নাও হতে পারে কিন্তু সেটা শুনলে আপনাদের মঙ্গল হবে । শ্রেয়টা হচ্ছে শ্রবণ । প্রিয়-কথা শুনতে নেই—গ্রাম্য-কথা, প্রিয়-কথা, এ সব করবেন না, শুনবেন না ।
সাধুসঙ্গে কৃষ্ণনামে—এই মাত্র চাই । (শ্রীশ্রীপ্রেমবিবর্ত্ত, ৬/১৩) সদ্গুরু কখনও আপনাদেরকে প্রাকৃতির মার্গের উপদেশ দেবেন না । আপনারা যেমন ডাক্তারের কাছে যান : ডাক্তার বাবু দেখেন আপনাদের শরীরটা কেমন খারাপ লাগছে, আপনাদেরকে ব্লাড টেস্ট করতে দেবেন আর রেজাল্টটা পেয়ে আপনাদের যেমন ডায়বেটিক ধরা পড়বেন । তারপর ডাক্তার বাবু আপনাদেরকে প্রেসক্রিপশন দিয়ে বলবেন, “ওষুধগুলো খাবেন আর বাড়িতে আলু ও মিষ্টি বেশিভাব খাবেন না ।” কিন্তু আপনারা ডাক্তার বাবুকে বলেন, “আমার অনেক পয়সা আছে—আপনি যে ওষুধ লেখেন, তা লেখেন, সব খাব, কিন্তু মিষ্টি ছাড়তে পারব না !” যদি ডাক্তারটা আপনাদেরকে ভালবাসেন, তাহলে কী হবে ? তিনি বলবেন, “আপনার মত রোগী আমি চাই না !” আর যদি ডাক্তারটা আপনাদের পয়সা ভালবাসেন, আপনাদেরকে ভালো না বাসেন, তিনি বলবেন, “ঠিক আছে, এই ওষুধ খাবেন, আপনার রোগ ভালো হবে । মিষ্টি না ছাড়বেন, আস্তে আস্তে সব খান, মিষ্টি, আলু কম কম, একটা টুকরো খান, না ছাড়তে পারলে আর কী করবেন ? ওষুধ খান কিন্তু আমার কাছে আসতে হবে প্রত্যেক সপ্তায় ।” আর ডাক্তারের ফীটা (পয়সাটা) দিতে হবে … এই জগতে অনেক এইরকম গুরু ঘুরে বেড়ায়, গুরুব্যবসা আছে—কর্ম্মী-গুরু, জ্ঞানী-গুরু, যোগী-গুরু, কৌলিক-গুরু, লৌকিক-গুরু আছে । এই সব গুরু পাওয়া যায় । তারা আপনাদেরকে প্রাকৃতির মার্গের উপদেশ দেবেন—বলবেন, “যা ইচ্ছা তাই কর, আমার কাছ থেকে দীক্ষা নাও আর তোমার ইচ্ছা মত চল !” কিন্তু তাতে আপনারা ভগবানকে লাভ করতে পারবেন না । সেইরকম গুরুর কাছ থেকে কেউ যদি দীক্ষা নেয়, তাহলে যে লোক দীক্ষা নেবে এবং যে গুরু দীক্ষা দেবে, উভয় নরক প্রাপ্ত হয় । মনে রাখবেন, এগুলো শাস্ত্রের কথা । যারা এই জগতে বিভিন্ন আশ্রমে ঘুরে বেড়ায়, তারা জগতের পারমার্থিক চিন্তা করে না—নিজেই বন্ধনে থেকে তারা অপরকে কি করে বন্ধন থেকে মুক্ত করবে ? যেমন একজন যদি গর্তে পড়ে থাকে আর কেউ এসে ওকে বলে, “আমি তোমাকে গর্ত থেকে তুলব !” কিন্তু সে যদি নিজেই গর্তের মধ্যে পড়ে থাকে, অপরকে গর্ত থেকে কি করে তুলবে ? সে নিজেই উঠতে পারছে না ! এই জগতে অনেক এইরকম গুরু আছে—আউল, বাউল, কর্তাভজা, নেড়া, দরবেশ, সহজিয়া, জাত-গোসাঞি, ইত্যাদি । আমি আপনাদেরকে একটা উদাহরণ দেব । এককালে একজন গুরু ছিল । সে লোকের বাড়ি বাড়ি দীক্ষা দিয়ে বেড়াত । তার ছেলে আছে, তার স্ত্রী আছে, কন্যা আছে, আর সে বছরে বছরে গিয়ে লোকের টাকা-পয়সা তুলত । বাড়ির লোককে দীক্ষা দিয়ে বেড়াত আর বলত, “যা খুশি তাই কর ।” এক দিন স্ত্রী তাকে বলল, “শুন, তোমার তো বয়স হয়ে গেছে, বৃদ্ধ হয়ে গেছ তুমি । জীবনের শেষে তোমার লোকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই সব ভিক্ষা করতে খুব কষ্ট হচ্ছে । তোমার ছেলেটাও এই পথে এল না—সারাদিন ও বাইরে ঘুরে বেড়ায়, কোথায় যায় তাও জানি না । সন্ধ্যাসময় ও দুপুরের সময় ঠিক মত খাবার খেতে ফিরিয়ে এসে । ও গুরুগিরি আর না করলে আমাদের সংসারের কী অবস্থা হবে ? পরে কী হবে ? কি করে চলব ? কি করে খেয়ে বাঁচব ?” এই সব যে চিন্তা করে তাই স্ত্রী স্বামীকে বলল । হঠাৎ স্ত্রীর মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল, সে বলল, “দেখ, ওই যে রাজা আছে, না ? এই রাজাকে যদি তুমি শিষ্য করতে পার, তাহলে সে অনেক টাকা-পয়সা, চাল-ডাল দিতে পারে! ধনী লোক রাজা মানুষ,—তাকে শিষ্য করতে পারলে তোমার আর দশটাকা বা একশ-পঞ্চাশটাকার জন্য সবাইয়ের কাছে যেতে হবে না । শুধু এক শিষ্যের বাড়িতে গেলে তিনি অনেক চাল দেবেন—এতেই আমাদের পোষায় সংসার চলবে ।” গুরু তার কথায় রাজী হয়ে গেল, “ভালোই বুদ্ধি করেছ ।” পরের দিন সে রাজার কাছে গিয়ে যে কোন কৌশল করে তাকে শিষ্য করল (“আপনার রাজ্য ভালো থাকবে, আপনার সংসার ভালো থাকবে, আপনার সব কিছু হয়ে যাবে । এই হবে, সেই হবে । সব পাবেন”) । রাজাকে শিষ্য করে কয়েক বছর ভালো কেটেছে । কিছুক্ষণ পর রাজা সেই গুরুদেবকে বললেন, “গুরুদেব, আপনি তো প্রত্যেক বার অনেক চাল-ডাল, টাকা-পয়সা নিয়ে যান—আপনার কাছে আমি দীক্ষা নিলাম, আপনি আমার গুরুদেব কিন্তু আমি শান্তি ও আনন্দ পাচ্ছি না কেন ? আমার রাজ্য আছে, প্রজা আছে, বাড়িতে অপ্সরার মত সুন্দরী রাণী আছে কিন্তু আমি শান্তি পাচ্ছি না…” তখন গুরুদেব কি করল ? ও বলল, “শান্তি লাভ করবার জন্য আপনার কিছু কাজ করতে হবে ।” “কী কাজ ? আপনি তো বলেন নি কোন দিন !” “বিরাট করে যজ্ঞ করতে হবে ।” “ঠিক আছে । যজ্ঞের কী কী লাগবে ?” গুরুদেব একটা বৃহৎ ফর্দ রাজাকে দিল । ফর্দটা দেখে রাজা বললেন, “আমার সময় নেই । গুরুদেব, আপনার কত টাকা লাগবে বলে দেন, আমি নিয়ে আসব ।” গুরুদেবের আর ভালো হয়ে গেল । তখন সে বিরাট যজ্ঞ-ভোগ আয়োজন করল । যজ্ঞ যখন হয়ে গেছে কিছুদিন পর রাজা গুরুদেবকে আবার বললেন, “গুরুদেব, যজ্ঞটা করলেন কিন্তু শান্তিটা আসছে না কেন ?” তখন গুরুদেব বলল, “আপনি যে টাকা দিয়েছিলেন—” “আমি তো দিই নি, স্ত্রী দিয়েছিল ।” “ভালো মনে দিয়েছিল না খারাপ মনে দিয়েছিল ? আমার মনে হচ্ছে যে, ঠিক মনে দেয় নি । যজ্ঞ আবার করতে হবে ।” আবার যজ্ঞ হল । আবার দুমাস কাটল আর এক দিন রাজা গুরুদেবকে বললেন, “শান্তিটা পাচ্ছি না… গুরুদেব, আমার সঙ্গে ছল করছেন না তো ! দেখুন, আপনাকে আমি সাতদিন সময় দিচ্ছি, এই সাতদিনের মধ্যে যদি আমাকে শান্তি দিতে না পারেন, তাহলে আমার লোক আপনাকে ধরে নিয়ে আসবে—গলা কেটে দেব !” (যেমন গুরু, তেমন শিষ্য ।) গুরুর চিন্তা হয়ে গেল, “সর্ব্বনাশ ! আমি টাকা-পয়সা নিয়ে সংসার চালিয়েছি, এই করেছি, সেই করেছি… লোভে পাপ করেছি ! রাজাকে দীক্ষা দিয়ে তার কাছ থেকে চাল-ডাল নিয়ে এখন নিজেই মহাবিপদে পড়েছি !” বাড়ি এসে স্ত্রীকে বলল, “হায় কপাল ! তোমার কথার মত কি কোথায় গেলাম রাজাকে শিষ্য করতে ! সব ভালোই চলছিল কিন্তু এখন তো রাজা বলে দিচ্ছে ওকে শান্তি দিতে হবে ! সাতদিনের মধ্যে যদি শান্তি দিতে না পারি, ও বলছে আমাকে গর্দান দেবে ।” একটু পরে ওই গুরুর ছেলে বাড়ি ফিরে এসে বলল, “মা গো, খেতে দাও !” মা দুঃখে বসে রান্না কিছুই করে নি । ছেলেটাকে দেখে মা ওকে বকল, “তুই তো কিছুই করিস না ! তোর বাবা বুড়ো কালে খেটে খেটে পরিশ্রম করে । রাজাকে শিষ্য করতে গিয়ে, এখন রাজা শান্তি চেয়েছে আর তোর বাবা যজ্ঞও করল কিন্তু রাজা কিছু শান্তি পাচ্ছে না । কি করে শান্তি হবে ? তুই তো খালি খাওয়া আর ঘুমের জন্য বাড়িতে আসিস ! বেরিয়ে যাও !” ছেলেটা বলল, “আমি রাজবাড়িতে যাব !” “তুই কোথায় রাজবাড়িতে যাবি ?! তুই পাগল, কিছু দেখছিস না ? তুই রাজার কাছে গিয়ে কী বলবি ? ওটার দরকার নেই !” কথা না শুনে কিছু মুড়ি মুখে দিয়ে ছেলেটা রাজবাড়িতে ছুটে গেল । জোরে জোরে হেঁটে রাজবাড়ি এসে হাজির হল । এসে দারোয়ানকে বলছে, “গেট খোলো ! আমি রাজার কাছে যাব !” দারোয়ান বলল, “তুমি কে ?” “তোমরা আমাকে চেন না, রাজাকে বলে দাও তাঁর গুরুদেবের পুত্র এসেছে ।” তখন দারোয়ান রাজাকে গিয়ে বলল, “আপনার গুরুদেবের পুত্র এসেছে ।” “ঠিক আছে,” রাজা বললেন, “আমি ওকে অনেক দিন দেখতে পাইনি । ডেকে নিয়ে এস ।” ডেকে নিয়ে এসে আর রাজা ছেলেটাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “তুমি কেন এসেছ, গুরুর পুত্র ?” “আমি আপনার জন্যই এসেছি । আপনাকে শান্তি দেব ।” “হ্যাঁ, আমি তাও খুঁজছি । তোমার বাবার কাছ থেকে দীক্ষা নিয়েছি পাঁচ বছর আগে, তারপর যজ্ঞ করলাম দুবার, অনেক মাস কেটে গেল কিন্তু আমি কোন শান্তি পাচ্ছি না । এইজন্য তোমার বাবাকে বললাম যে, আমি ওঁকে সাতদিন সময় দিয়েছি ।” “এটা আমি শুনেছি । শান্তি আপনাকে দেব ।” “তোমার কী করতে হবে ?” “কিছু বেশি করতে হবে না । আমার শুধুমাত্র দুটো জিনিস লাগবে : দু’গাছা দড়ি লাগবে আর বাবাকে (আপনার গুরুকে) লাগবে ।” “ঠিক আছে, কোন ব্যাপারই না ।” রাজা লোক পাঠিয়ে দিলেন গুরুর বাড়িতে, বললেন, “গুরুকে ডেকে নিয়ে এসো ।” লোকটা যখন গুরুর কাছে গিয়ে বলল, “রাজা আপনাকে ডেকছেন,” সে তখন ভয় পেয়ে মনে মনে ভাবল, “সাতদিনটা হয় নি । এখন রাজা ডেকছে আমাকে কেন ? ও কী করবে ?” তখন, গুরু রাজার কাছে এসে বলল, “আপনি আমাকে সাতদিন সময় দিয়েছেন । কিন্তু আজকে কেন আমাকে ডাকলেন ?” রাজা বললেন, “আমি নিজের জন্য ডাকি নি । আপনার ছেলে আপনাকে ডেকেছে ।” “আমার ছেলেটা পাগল । ও বাড়িতে থাকে না, সংসার দেখে না, কিছু করে না । ও খালি সবসময় ঘুরে ঘুরে বেড়ায় ।” “কিন্তু ও বলছে যে, আমাকে শান্তি দেবে—আপনাকে চায় আর দড়ি চায়, বলছে । দেখি না ও কী করবে ।” তখন রাজা ছেলেকে বলল, “দড়ি এসে গেছে, আমার গুরুদেবও এসে গেছে । চলুন !” এখন কী ? দড়ি নিয়ে রাজা ও বাবার সঙ্গে শ্মশানে দিকে গেল । তারা ভাবল, “আরে, শ্মশানের দিকে নিয়ে যাচ্ছে… কী করা যায় ?!” রাস্তা দিয়ে গিয়ে তারা দেখতে পেল লেখা ‘শ্মশানেই শান্তি’—“এটা কী ? আমরা তো এখনও জ্যান্ত আছি, মরি নি তো… এ পাগল আমাদেরকে জ্যান্ত সমাধি দেবে না কি ? কী ও করে, দেখি…” তরপার তারা দু’টো বড় বড় গাছের সামনে এল । ছেলেটা প্রথমে এক গাছের সঙ্গে বাবাকে ভালো করে বেঁধেছে, আবার তারপর অপর গাছের সঙ্গে রাজাকে বেঁধেছে । বেঁধে দিয়ে ছেলেটা বলল, “বাবা, তুমি এবার রাজার বন্ধনটা মুক্ত করে দাও তো !” “তুমি পাগল না কি ? আমাকে বেঁধে রেখে দিয়েছিস—আমি নিজে বন্ধনে আছি, অপরের বন্ধন কি করে খুলব ?!” তখন ছেলেটা রাজাকে বলল, “শুনলেন তো ? বাবা নিজেই বলেছে : সে নিজে বন্ধনে আছে, অপরের বন্ধন কি করে সে খুলবে ? বাবা নিজেই মায়ার বন্ধনে আচ্ছন্ন হয়ে গেছে, মায়ার মধ্যে পড়ে আছে—অপরকে কি করে মায়া থেকে উদ্ধার করবে ? বাবা-মা বলে, ‘তুমি পাগল ! কোথায় যাও ? কোথায় যাও ?’ কিন্তু আমি একটা সাধুর আশ্রমে যাই, সেই সাধু প্রত্যেক দিন ভাগবত্ পাঠ করেন আর আমি তাঁর কাছে গিয়ে শ্রবণ করি । বাবারও সেখানে গিয়ে ভাগবত্ শ্রবণ করা উচিত । তাঁর কাছ থেকে দীক্ষা নিয়ে নিজে শিষ্য হতে হবে—শিষ্যর পর গুরু হবে, তারপর আপনাকে শিষ্য করবে । শিষ্য না হয়ে আগে নিজে গুরু হয়ে বসে আছে আর নিজেই মায়া বন্ধনে আছে, আপনার কি করে সে বন্ধন থেকে মুক্ত করবে ?” তখন বাবা বুঝতে পারল । বলল, “ঠিক বলেছিস । আমি কাল থেকে তোর আশ্রমে যাব ।” তারপর রাজা এবং ছেলেটার বাবা দুইজনে আশ্রমে গিয়ে ভাগবত্ শ্রবণ করতেন । অবশেষে দুইজনই আনন্দ লাভ করল : দুইজনই পরম শান্তি লাভ করল আর তাদের মানসিক যন্ত্রণা চলে গেল । আমরা সবাই আনন্দ খুঁজি । কোথায় গেলে আনন্দ পাব ? Search for Sri Krishna Reality the Beautiful ! ভগবানকে খুঁজুন ! কোথায় আমরা সবাই আনন্দ খুজি ? আমরা এই সংসারের মধ্যে একটু সামান্য সাময়িক আনন্দের জন্য লাফালাফি করি কিন্তু যদি আমরা পরমানন্দ ভগবানের (আনন্দময় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের) সেবা করতে পারি, তাহলে আমাদের পরম কল্যাণ বস্তু লাভ হবে, ভাই ! তজ্জন্য সদ্আশ্রমে যেতে হবে, সৎসান্নিধ্য লাভ করতে হবে ।
— • • • —
|
সূচীপত্র: সূচনা : আমাদের একমাত্র কৃত্য ১। ভক্তির অভাব ২। গৃহে আবদ্ধ ৩। মায়ের পেট থেকে মায়ার পেটের মধ্যে ৪। জীবকে সত্য দয়া কি ? ৫। ভোগী নই ত্যাগীও নই ৬। শ্রবণ-কীর্ত্তনে মতি ৭। ভগবানের কৃপা ও আপনার চেষ্টা ৮। ভগবানের চরণে পথ ৯। শান্তির গুপ্ত কথা ১০। শ্রীবামনদেবের কথা ১১। শ্রীনৃসিংহদেবের কথা ১২। পূজনীয় বিসর্জন ১৩। ভক্ত ও নাপিত ১৪। চকচক করলেই সোনা হয় না ১৫। আমি তো সব ব্যবস্থা করি নাকি ? ১৬। দণ্ড মহৎসব ১৭। শিবজী মহারাজ : পরম বৈষ্ণব ১৮। মায়ার চিন্তা বা কৃষ্ণের চিন্তা ? ১৯। আমাদের একমাত্র উপায় ২০। পবিত্র জীবন ২১। শ্রীহরিনাম দীক্ষা : গুরুপাদপদ্মের দান ২২। আমার শোচন |
||||||
| বৃক্ষসম ক্ষমাগুণ করবি সাধন । প্রতিহিংসা ত্যজি আন্যে করবি পালন ॥ জীবন-নির্ব্বাহে আনে উদ্বেগ না দিবে । পর-উপকারে নিজ-সুখ পাসরিবে ॥ | |||||||
|
© Sri Chaitanya Saraswat Math, Nabadwip, West Bengal, India. For any enquiries please visit our contact page. { ফোনে আপডেট পেতে WhatsApp গ্রুপে যোগ দিন } |
|||||||